1. [email protected] : jashim sarkar : jashim sarkar
  2. [email protected] : mohammad uddin : mohammad uddin
বৃহস্পতিবার, ২০ জানুয়ারী ২০২২, ১০:৩৫ পূর্বাহ্ন

অল্পে মন খারাপ হলে সম্পর্ক টিকে না!

সবারই মন খারাপ হয়। কারও কারণে, কারও অকারণে। কমবেশিও হতে পারে তার পরিমাণ। অফিসে বস কিংবা সহকর্মীর কোনো কথায় কিংবা ক্লাসে-ক্যাম্পাসে বন্ধুর আচরণে। মন খারাপ হতে পারে পরীক্ষার ফলের জন্যও। তবে অনেকে আছেন যাঁদের অল্পতেই মন খারাপ হয়ে যায়।

এই অল্পতেই মন খারাপ হওয়াটা কী নির্দেশ করে আসলে? জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক আহমেদ হেলাল এ ব্যাপারে বলেন, যেসব মানুষের অল্পতে মন খারাপ হয়ে যায় সাধারণের তুলনায়, তাদের সামাজিক দক্ষতা কম। তারা যদি নিজেদের আরও সামাজিক করে, অন্যান্য সবার সঙ্গে মিলেমিশে থাকে, তাহলে আর অল্পে মন খারাপ হবে না। অনেকের আবার ব্যর্থতাকে গ্রহণ করে নেওয়ার ক্ষমতাও কম।

অনেকেই তো আছেন, যাঁদের নিজেদের জীবন, নিজেদের চারপাশ নিয়ে মন খারাপ থাকে। আহমেদ হেলাল বললেন, আমরা অনেকে আছি যারা শুধু আমাদের চারপাশের নেতিবাচক বিষয় দিয়ে প্রভাবিত। চারপাশের ইতিবাচক বিষয়গুলোর দিকেও মনোযোগ দেওয়া উচিত। যেকোনো বিষয়েই ইতিবাচক থাকা উচিত।

বন্ধুদের সামান্য কথাতে মন খারাপ হয়ে যায় রাসেলের (ছদ্মনাম)। তাঁর খুব কাছের বন্ধুরা নিশ্চয়ই তাঁকে ইচ্ছা করে আঘাত করার জন্য কোনো কথা বলেন না। তাহলে মন খারাপ হয় কেন? এ ব্যাপারে আহমেদ হেলাল বলেন, আমাদের মাঝে কেউ কেউ আছে, যাদের সেন্স অব হিউমার একটু কম। তাই তারা অল্পেই কষ্ট পায়। এসব ব্যক্তিদের চারপাশের মানুষদের কিন্তু অবশ্যই উচিত তাদের বন্ধু কোনো কথায় মন খারাপ করলে, বন্ধুর ভুলটা ভাঙিয়ে দেওয়া।

আর সবকিছুর পরও যদি মন খারাপ হয়ে যায় তখন কী করবেন? কারও কথায় মন খারাপ হয়ে গেলে সেই মুহূর্তেই কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া যাবে না। না ভেবে তাঁকে কোনো পাল্টা উত্তর দেওয়ারও দরকার নেই। কেন বলেছেন কথাটি সেটি ভাবতে পারেন। আর একান্তই বুঝতে না পারলে সঙ্গে সঙ্গে জিজ্ঞাসা করে নেন কেন কথাটি বলেছে আপনাকে। কষ্ট পেয়ে থাকলে সেই ব্যক্তিকেও বুঝিয়ে বলতে পারেন।

আরো পড়ুন