1. [email protected] : jashim sarkar : jashim sarkar
  2. [email protected] : mohammad uddin : mohammad uddin
শনিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৬:০৩ অপরাহ্ন

ইঞ্জিনিয়ার নব্য নিয়োগপ্রাপ্ত যারা তাদের উদ্দেশ্য বলছি !

যেকোন কাজে তাড়াহুরা করে শিখার চেষ্টা করবেন না,তাতে কাজ বুঝবেন না বরং মুখস্থ হবে। সিনিয়রদের সাথে কাজ করতে কোন মেশিনে গেলেন,তার উপর দিয়ে বাড়তি কথা বলবেন না, এতে উনি খারাপ মুডে চলে যাবেন।

বিপরীতে কিছু জিজ্ঞাস করলে আমতা আমতা করে অথবা কোন একটা যন্ত্র আনার কথা বলে বর্তমান কাজ থেকে আপনাকে সরিয়ে রাখতে চাইবে।চোখে কোন কাজ দশবার দেখার চাইতে হাতে একবার কাজ করা উত্তম। ছোট কাজ হোক আর বড় কাজ হোক সেটা নিজের হাতে করার চেষ্টা করবেন।মেশিনের কোন লোক এসে যদি কোন সমস্যার কথা আপনাকে জানায়।তবে নিজে ফ্রেশ তেমন কাজ জানিনা বলে ঘাবড়ে যাবেন না, অথবা চুপচাপ সেকশনে বসে থাকবেন না,সমস্যার কথা শোনামাত্র দ্রুত মেশিনে চলে যাবেন, তাতে অন্তত প্রাথমিক ফল্ট টি চিহ্নিত করতে পারবেন, সমাধান করতে না পারলে সিনিয়র কাউকে ডাকুন হোক সে টেকনিশিয়ান বা ইঞ্জিনিয়ার। আপনার দরকার কাজ জানা।কাজ চলাকালীন ভালভাবে লক্ষ্য করবেন সিনিয়র।

যিনি তিনি প্যানেল বোর্ডে কিভাবে কাজ করেন, কোন ফাংশনের পাওয়ার কন্ট্রোলিং, এবং অপারেটিং কিভাবে করে। সাথে সাথে বুঝার চেষ্টাকরুন, না বুঝলে বিনয়ের সাথে জিজ্ঞাসা করুন।আমি তো ইঞ্জিনিয়ার হাতে কাজ করবো কেন?এমন মনমানসিকতা থাকলে তা অবশ্যই পরিহার করুন।হাতে কাজ না করে আজ পর্যন্ত কেউ দক্ষ ইঞ্জিনিয়ার হতে পারেনি।প্র্যাকটিস করুন, ডিপার্টমেন্টে বসে যখন কাজের ফাঁকে ফ্রি থাকেন। কিছু পুরাতন অথচ ভাল ডিভাইস প্র্যাকটিস করা যাবে এমন শত শত সুইচ কন্টাক্ট, টাইমার, রিলে, সার্কিট ব্রেকার, লিমিট সুইচ, সহ বিভিন্ন অবব্যহৃত ডিভাইস নিয়া বেশিবেশি ঘাটাঘাটি করুন, কোনটা কোথায় লাগাতে হয় কোন ডিভাইস কিভাবে কাজ করে তা জানতে চেষ্টা করেন। প্রয়োজনে সিনিয়র কারো হেল্প নিন।

নতুন নিয়োগ পেয়ে ডিপার্টমেন্টে বসে থাকবেন না এতে অলসতা বাড়বে। ডিউটির অতিরিক্ত সময় কাজ শেখার স্বার্থে ব্যয় করতে পারেন।

আরো পড়ুন