1. [email protected] : jashim sarkar : jashim sarkar
  2. [email protected] : mohammad uddin : mohammad uddin
বুধবার, ২০ অক্টোবর ২০২১, ০৪:৩৭ পূর্বাহ্ন

একনজরে 4G, 3G, 2G, ও 1G নেটওয়ার্ক সম্পর্কে বিস্তারিত।

4G

4G হল Fourth Generation Cellular System(ultra broadband anywhere and anytime, ALL IP, Very high Speed). বাংলাদেশে এটা সর্বশেষ প্রযুক্তি সম্পন্ন নেটওয়ার্ক । যার স্পীড হল 100mb/s To Gb/s. এটা 3G থেকে অনেক অনেক বেশি স্পীড সম্পন্ন এবং এটি লং টার্ম ইভালুয়েশন বা LTE Network সাপোর্ট করে। এই 4G Network এর আবার দুটো পার্ট একটি LTE অপরটি VOLTE যাকে ভয়েস ওভার লং টার্ম ইভালুয়েশন নেটওয়ার্ক বলে। এখানে LTE হলো শুধুমাত্র মোবাইলে ইন্টারনেট ব্যাবহার করার জন্য। এই ফোরজি নেটওয়ার্ক দিয়ে ফোনকল বা মেসেজ করা যায় না। তাই VOLTE নেটওয়ার্ক ব্যাবহার করতে হয়। আর তাইতো যেসকল মোবাইলে VOLTE নেটওয়ার্ক সমর্থন করে না সেসকল মোবাইল ফোনে 4G only করে রাখার অপশন দেওয়া হয়নি। কেননা, এসব স্মার্টফোনে যদি 4G only করে রাখার অপশন দেওয়া হতো তবে আপনার মোবাইলের ব্যালেন্স চেক করা, কাউকে মেসেজ পাঠানো বা কাউকে কল করা কিংবা কেউ কল করলে সেই কল ঢোকা ইত্যাদি সম্ভব হতো না। ফলে আপনি বারবার নেটওয়ার্ক পরিবর্তনের বাড়তি বিড়ম্বনায় পড়ে যেতেন এবং আপনি অহেতুক হয়রানির শিকার হতেন আর তাইতো এসব ফোনে only 4G করার কোন অপশন দেওয়া হয়নি। তবে যেসব বর্তমান আধুনিক স্মার্টফোন VOLTE Network সাপোর্ট করে এবং যে সকল মোবাইল সিম অপারেটর VOLTE Network Provide করে সেসকল স্মার্টফোন ও সিম অপারেটর একই সাথে ব্যাবহারে এ ধরনের বাড়তি ঝামেলা পোহাতে হয় না। এসব ফোনে আপনি ফোরজি নেটওয়ার্ক ব্যাবহার করে একই সাথে ভয়েস কল, মেসেজিং ও ইন্টারনেট ব্যাবহার করতে পারবেন।

3G

3G হল Third Generation Cellular System(digital broadband exclusively packet data). এটার সর্বোচ্চ স্পীড হল 200kb/s – 1mb/s । 3G-র বড় বৈশিষ্ট্য হল যে এটার সাহায্যে Video Conference করা যায় এবং Internet স্পীড আগের চেয়ে অনেক বেশি। 3G নেটওয়ার্ক যেসব Standard Follow করে তা হল-

– UMTS (Universal Mobile Telecommunications System), CDMA2000, EDGE…

আর 3.5G তে Internet স্পীড হল 2mb/s। 3.5G নেটওয়ার্ক যেসব Standard Follow করে তা হল-

HSPA (High Speed Packet Access), shorter Transmission Time Interval (TTI),

আর 3.7G তে Internet স্পীড হল 1.4mb/s-5.8mb/s এবং এটা যেসব Standard Follow করে তা হল-

HSPUA (High Speed Uplink Packet Access)

2G

1G নেটওয়ার্ককে 1990 সালে আরো একটু উন্নত করা হয় এবং নাম দেওয়া হয় 2G(Second Generation)। এটার সর্বোচ্চ স্পীড ছিল 144kb/s । 2G-র অন্যতম বড় বৈশিষ্ট্য ছিল যে এই নেটওয়ার্ক-র সাহায্যে Voice Call এর পাশাপাশি SMS পাঠানো যেত এবং Internet ব্যবহার করা যেত । 2G নেটওয়ার্ক যেসব Standard Follow করে তা হল-

– GSM

– CDMA ( Code Division Multiple Access)

– TDMA ( Time Division Multiple Access)

আর 2.5G তে Circuit Data-র পরিবর্তে Packet Data ব্যবহার করা হয়।যার দরুন GPRS ব্যবহার করা যায়। আর 2.7G তে EDGE (Enhanced Data Rates for GSM Evolution) ব্যবহার করা যায়। 2.7G তে 200kb/s পর্যন্ত স্পীড উঠে। তাই আমরা আগে যখন 2G Network এ ইন্টারনেট চালাতাম তখন মোবাইলের নেটওয়ার্ক সিগনালে E লিখা উঠতো এবং মডেমের নেটওয়ার্ক সিগনালে EDGE লিখা উঠতো।

1G

1G হল First Generation Of Cellular Systems যা 1980 সালে আবিষ্কার করা হয়। যার সর্বোচ্চ স্পীড ছিল 14.4kb/s । এটাতে Circuit Data ব্যবহার করা হত। এই 1G নেটওয়ার্ক দিয়ে শুধু Voice Call করা যেত। কিন্তু কোনো SMS করা যেত না এবং কোনপ্রকার Internet তখন ব্যবহার করা যেত না। 1G নেটওয়ার্ক যেসব Standard Follow করে তা হল-

-AMPS (Advanced Mobile Phone System), used in USA

-NMT (Nordic Mobile Telephone)

-TACS (Total Access Communications System), used in UK

নাজমুল হক

আরো পড়ুন