1. powerofpeopleworld@gmail.com : jashim sarkar : jashim sarkar
মঙ্গলবার, ০৬ ডিসেম্বর ২০২২, ১০:৪২ অপরাহ্ন

কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে খাবার খাবেন

পরীক্ষা করোনার পর যদি শরীরে কোলেস্টেরলের পরিমাণ বেশি ধরা পড়ে তবে অবশ্যই সতর্ক হতে হবে। এ ছাড়া চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

কোলেস্টেরল কি?

কোলেস্টেরল এক ধরনের চর্বি। এটি দেখতে অনেকটা মোমের মতো নরম। এটি আমাদের দেহের কোষের দেয়ালে থাকে। আমরা যখন চর্বিজাতীয় খাবার খাই, তখন আমাদের যকৃতে এই কোলেস্টেরল তৈরি হয় এবং রক্ত সঞ্চালনের মাধ্যমে আমাদের দেহের সব রক্তনালিতে ছড়িয়ে পড়ে। এটি শরীরের প্রয়োজনীয় বিভিন্ন কাজে সাহায্য করে। যেমন– হরমোন তৈরিতে, চর্বিতে দ্রবণীয় ভিটামিনগুলোর পরিপাকে এবং ভিটামিন ডি তৈরিতে।

যদি অধিক পরিমাণ চর্বিজাতীয় খাবার খাওয়া হয়, তবে এ অতিরিক্ত কোলেস্টেরল ধমনির দেয়ালে জমাট বেঁধে প্লাক তৈরি করে এবং রক্ত চলাচলে বাধা দেয়। ফলে বিভিন্ন ধরনের শারীরিক সমস্যা দেখা যায়। যেমন– উচ্চরক্তচাপ, হৃৎপিণ্ডের নানা ধরনের অসুখ, হার্টঅ্যাটাক ইত্যাদি।

কিছু খাবার রয়েছে, যা কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ করে। আসুন জেনে নিই এমন কিছু খাবার সম্পর্কে-

১. সবজি দেহের কোলেস্টেরলের পরিমাণ কমায় এবং শক্তি জোগায়। কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে খেতে পারেন শুষ্ক সোয়া প্রোডাক্ট, মটরশুটি ও টফু।

২. যারা সপ্তাহে তিন দিন অথবা এর বেশি সময় মাছ খায়, তাদের শরীরে খারাপ কলেস্টেরল কম থাকে। যারা উচ্চরক্তচাপ এবং বিভিন্ন হৃদরোগে ভুগছেন তাদের জন্য মাছ খুব উপকারী। এর মধ্যে হাই ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড রয়েছে।

৩. অলিভঅয়েল বা জলপাইয়ের তেলে রয়েছে মনো-আনসেচুরেটেড ফ্যাটি অ্যাসিড ও ভিটামিন-ই। মনো-আনসেচুরেটেড ফ্যাটি অ্যাসিড দেহের খারাপ কলেস্টেরল এলডিএলকে কমায় এবং ভালো কোলেস্টেরল এইচডিএলকে বাড়াতে সাহায্য করে।

৪. রক্তে কোলেস্টেরলের পরিমাণ কমাতে চাইলে, ননিযুক্ত দুগ্ধজাত খাবার পরিমাণে কম খেতে হবে।

৫. সব ধরনের সবজি ও ফল কোলেস্টেরলের মাত্রাকে কমাতে সাহায্য করে। বিশেষত যেসব সবজিতে ভিটামিন সি ও বিটা ক্যারোটিন রয়েছে সেগুলো বেশি খেতে হবে।

৬. গবেষকরা বলছেন, রসুন, পেঁয়াজ ও পেঁয়াজজাতীয় খাবার শরীরে বাজে কোলেস্টেরলের পরিমাণ কমায় এবং হৃৎপিণ্ডকে ভালো রাখে। তরকারি ও সালাদে আমরা এটি ব্যবহার করতে পারেন।

৭. ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড শরীরে কোলেস্টেরল কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তবে দুর্ভাগ্যবশত অধিকাংশ ক্ষেত্রে আমরা শরীরের চাহিদা অনুযায়ী পর্যাপ্ত পরিমাণে এই খাবার খাই না। এখন বিভিন্ন ধরনের প্রক্রিয়াজাত খাদ্যে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড ব্যবহার করা হয়। শিমজাতীয় খাদ্য, ওয়ালনাট, জলপাই ইত্যাদির মধ্যে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড পাওয়া যায়।

আরো পড়ুন