1. powerofpeopleworld@gmail.com : jashim sarkar : jashim sarkar
  2. jashim_1980@hotmail.com : mohammad uddin : mohammad uddin
রবিবার, ০৩ জুলাই ২০২২, ০২:৩৯ পূর্বাহ্ন

খাবো কী?

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক ড. আবুল হোসেনের ল্যাব-টেস্ট মোতাবেক ব্রয়লার মুরগির মাংসে ২০০০ মাক্রোগ্রাম, কলিজায়-৬১২ মাইক্রোগ্রাম, এবং মগজে- ৪০০০ মাইক্রোগ্রাম ক্যান্সার সৃষ্টকারী বিষাক্ত ক্রোমিয়াম পাওয়া গেছে । WHO-এর গাইডলাইন অনুসারে মানুষের শরীরে ক্রোমিয়ামের সহনশীয় মাত্রা ২৬-৩৫ মাইক্রোগ্রাম।

ফার্মের মুরগিরডিমেও আছে সহনীয় মাত্রার চেয়ে ৬-৭ গুণ বেশি ক্রোমিয়াম। এর কারণ হচ্ছে বাংলাদেশে মুরগী ও মাছের ফিড তৈরিতে ক্রোমিয়াম মিশ্রিত টেনারির বর্জ্য ব্যবহার হয় চাষের মাছগুলোতে আছে উচ্চমাত্রার নাইট্রোফোরন ও আর্সেনিক। ক্রোমিয়াম, নাইট্রোফোরন ও আর্সেনিক ১ম সারির ক্যান্সার সৃষ্টিকারী বিষাক্ত ক্যামিক্যাল। আর্সেনিক দিয়ে তো ইঁদুর মারার বিষ বানানো হয়।

এখন বলুন, সাধারণ মানুষের নিত্যপ্রয়োজনীয় প্রোটিন যোগান দেবে কোন খাবারটি? গত সপ্তাহে মলা-ঢেলা মাছ কিনলাম ৪৫০ টাকা কেজি দরে। নদী ও সামুদ্রিক মাছের দাম আকাশচুম্বী! সহজলভ্য তেলাপিয়া, পাংগাস ও অন্যান্য মাছের শরীর নাইট্রোফোরন, ক্রোমিয়াম ও আর্সেনিকে ঠাসা, কারণ এই মাছগুলো ক্ষতিকর মাত্রার আর্সেনিকযুক্ত সেচের পানিতে চাষ হয় ও চাষে টেনারির বর্জ্য দিয়ে প্রস্তুত ফিড ব্যবহার করা হয়।

কোরবানির পশুর চামড়ার পশম পুড়তে ব্যবহৃত হয় ক্রোমিয়াম ও নাইট্রোফোরনযুক্ত ক্যামিক্যাল। চামড়া প্রসেজের পর উপজাত হিসেবে প্রাপ্ত হাজার-হাজার টন বর্জ্য পোল্ট্রি ও মাছের ফিড বানাতে ব্যবহার করা হয়। কার্বোহাইড্রেটের পরেই শরীরের জন্য বেশি দরকার আমিষ। সাধারণ মানুষ কোথাথেকে পাবে নির্মল আমিষ? এসব খাবার বর্জন কতটা টেকসই সমাধান হতেপারে?

কেবল বোবা কান্নায় বুকটা ভার হয়ে থাকে!এদেশের ঘরেঘরে এখন ক্যান্সার ও কিডনি রোগী। হঠাতকরেই মারাযাচ্ছে অল্পবয়সী তরুণ-তরুণী! কেউ কি বলতে পারেন, বিশ্বে এদেশের মতো আর কোথায় এমন ধরনের নৈরাজ্য হয়?

আরো পড়ুন