1. powerofpeopleworld@gmail.com : jashim sarkar : jashim sarkar
  2. jashim_1980@hotmail.com : mohammad uddin : mohammad uddin
সোমবার, ১৫ অগাস্ট ২০২২, ০৯:০৫ পূর্বাহ্ন

চীনে টানা ১২ বছর সকল ভার্সিটিতে জেনারেল শিক্ষা বন্ধ রেখে, প্রত্যেকে কারিগরি শিক্ষায় শিক্ষিত করা হয়েছিল !

Diverse group of people

চীন সরকার দেখলেন যে, যত ছাত্র পাশ হবে তাদের সকলকে চাকরী দেয়া সম্ভব নয়। তাই জন্য চীন সরকার বুদ্ধি করে সকল ভার্সিটি অফ রেখে। প্রত্যেকে কারিগরি শিক্ষা দিলেন। যে যা পারে তারা সেটাই তৈরি করতে শিখলেন। সেই জন্য আজকে বাংলাদেশের সকল পণ্যে লেখা- Made in chaina. দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জাপান বিধ্বস্ত হবার পরেও স্বল্প সময়ে কীভাবে এত উপরে উঠে আসলো?

যে জাপানি পণ্যগুলো আজকে এত উন্নত মানের যা আমরা ব্যবহার করি, যাদের সবকিছু এত উন্নত। তারা দেখলেন- ধ্বংসাবশেষ থেকে উত্তরণের জন্য তাদেরকে অনেক কিছুই করতে হবে। রাস্তা ঘাট ব্রীজ তৈরি করতে হবে। এগুলোর জন্য প্রচুর শ্রমিক দরকার, প্রচুর অর্থের প্রয়োজন। তারা বুদ্ধি করে নিজের দেশ থেকে বিদেশ লোক পাঠালেন কাজ করার জন্য। তারা সেখানে কাজ শিখলেন, অর্থও পেলেন। ফিরে এসে নিজের কাজ নিজেই করতে পারলেন। কতটা সাশ্রয় হলো আর কতটা লাভের পথ তৈরি হলো তা অনুধাবন করার বিষয়।

অন্যের সাহায্য নিয়ে যখন স্যাটালাইট তৈরি করলো পাকিস্তান, ঘানা ইত্যাদি দেশ তখন তারা চুক্তি করেছিল যে তাদেরকেও এটা তৈরি সম্পর্কে শেখাতে হবে। কয়েক বছর পরে তারা সেটা শিখে নিল। পারমাণবিক অস্ত্র তৈরিতেও একে অপরের সঙ্গে টেক্কা দিয়ে উপরে উঠছে। তাদের শিক্ষা ব্যবস্থা, রাজনৈতিক পরিস্থিতি, গবেষণার পিছনে বরাদ্দ আমাদের দেশের চেতনার তুলনায় অতি তুচ্ছ। তাই জন্য স্বাধীনতার এত বছর পরেও গাণ্ডু শ্রেণির জন্য আমাদের এত উন্নতী। এখানে কীভাবে দেশকে প্রতিনিয়ত ধর্ষণ করা হয় তা আর বলতে হবে না।

যেটা বলতে চাচ্ছিলাম তা হলো- প্রথম আলোয় মুনির হাসান বললেন, কোন তরুণ যদি ভোল্টেজ স্টাবিলাইজার তৈরি করতে চায় তাহলে, যত প্রাথমিক পর্যায়ের কাঁচামাল ব্যবহার করবে তত বেশি কর দিতে হবে।

এই দেশের নীতি নির্ধারকরা দেশের শিল্পের বিরুদ্ধে গিয়ে বৈদেশিক পুঁজিবাদের পক্ষপাতিত্ব করে। তা না হলে যে স্টাবিলাইজার সরাসরি বিদেশ থেকে আমদানি করলে কর দিতে হবে ১% সেখানে অ্যালুমিনিয়ামের তার আমদানি করে সকল কাঁচামালের জন্য আমদানি ও সম্পূরক শুল্ক দিতে হবে ১০%-২৮% কেন? প্রতি বছর চীন থেকে ৭-১০ লক্ষ স্টাবিলাইজার আমদানী করতে হয় একটামাত্র কারখানার জন্যই। তাহলে দেশের তরুণদের কারখানা বন্ধ হচ্ছে না? এই দেশ অন্য কিছু আগাতে পারে না, কিন্তু একটা উদ্যোগতাও তৈরি হতে দেবে না- এই জায়গাতেই মেজাজ ফুরফুরে হয়ে যায়। সব কিছুর ক্ষেত্রেই এরকম সিস্টেম।

বই দেশে না ছাপিয়ে যদি বন্ধু রাষ্ট্র থেকে আমদানী করা হয় তাহলে টোটাল খরচ কম দাঁড়ায়। অথচ শ্রমিকের খরচ, পরিবহন খরচ আছে তারপরেও এই কেস। এগুলো তো সব খুব ই ছোট খাটো ব্যাপার। লুট করার জন্য ব্লাকহোল পড়ে আছে।

আরো পড়ুন