1. [email protected] : jashim sarkar : jashim sarkar
  2. [email protected] : mohammad uddin : mohammad uddin
মঙ্গলবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২২, ০৮:২৯ পূর্বাহ্ন

ঝাড়ুদার পদে এমএ পাশ বা পিএইচডি আবেদন করে বসে আছে!

আমাদের চাকুরীর বাজারে কোন ধরনের কাজে কত সংখ্যক জনবল প্রয়োজন তার কোন পরিসংখ্যার কোথাও খুজে পাই নি। আমার জানা নেই সরকারিভাবে বা বেসরকারিভাবে পেশা অনুপাতে কত মানুষ দরকার তার কোন পরিসংখ্যান আছে কি না? আমরা প্রতিবছর বিভিন্ন সাবজেক্টে লক্ষ লক্ষ গ্রাজুয়েট বের করছি, সংস্কৃত, বোটানি, জোলজি থেকে শুরু করে সিএসই, ইইই, এলএলবির মত অনেক বিষয়ে হাজার হাজার গ্রাজুয়েট বের হচ্ছে। আসলে কি এত আইনজীবি বা এত এ্যাকাউন্টেন্ট বাংলাদেশে প্রয়োজন আছে? যে সংখ্যক ইঞ্জিনিয়ার বের হচ্ছে, তাদের সেই অনুপাতে কর্ম সংস্থান আছে?

উন্নত দেশে একটা নির্দিষ্ট পেশায় কতজন লোক লাগবে সেটা অনুযায়ী তারা লোক তৈরি করে। এমনকি যুগের পরিবর্তনের সাথে সাথে তারা কোর্স কারিকুলাম আপডেট করে। চায়নাতে দীর্ঘ ১২ বছর হায়ার এ্যাডুকেশন বন্ধ রেখে তারা কেবল যে সেক্টরে লোক দরকার সেই সাক্টেরে হাতে কলমে ট্রেনিং দিয়ে কর্মী তৈরি করেছে।

আমরা কি করছি? প্রতি বছর ৩.৫ লক্ষের বেশি গ্রাজুয়েট, এছাড়া অন্যান্য অনেক শিক্ষা ব্যবস্থা থেকে লাখ লাখ শিক্ষার্থী বের হলে তারা কি করবে তাদের জন্য কর্মস্থল কি সেসব ঠিক না করে এভাবে গতানুগতিক পড়াশোনার পদ্ধতি রেখে বেকার তৈরি করার কোন মানে হয় না।

শ্রমবাজারের সাথে সামাঞ্জস্য রেখে কোর্স তৈরি ও কর্মমূখী শিক্ষার ব্যবস্থা করতে হবে এবং সংখ্যায় কোথায় কি পরিমান লাগবে সেই অনুযায়ী তৈরি করুন। একটা সময় দেখঅ যাবে ঝাড়ুদার পদে এমএ পাশ বা পিএইচডি আবেদন করে বসে আছে, এবং পাশের দেশ ভারতে সেরকম ঘটনা ঘটেছে। বাংলাদেশেও এর ব্যাতিক্রম কিছু না।

আরো পড়ুন