1. powerofpeopleworld@gmail.com : jashim sarkar : jashim sarkar
  2. jashim_1980@hotmail.com : mohammad uddin : mohammad uddin
শনিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২২, ১১:৫১ পূর্বাহ্ন

টাইমার এমন এক প্রকার সুইচিং ডিভাইস যে ডিভাইসের মাধ্যমে ইচ্ছা মত টাইম সেট করে !

টাইমার এমন এক প্রকার সুইচিং ডিভাইস যে ডিভাইসের মাধ্যমে ইচ্ছা মত টাইম সেট করে ছোট বড় অনেক সার্কিটকে চালু বা বন্ধ করা যায়। টাইমার বিভিন্ন পিনের হয়ে থাকে যেমন ৫ পিন, ৮ পিন, ১১ পিন এবং ১৪ পিন ইত্যাদি এটা বিভিন্ন ভোল্টেজেরও হয়ে থাকে যেমন AC/DC12V, AC/DC24V, AC/DC48V, AC/DC110V এবং AC220V ইত্যাদি। যত পিনেই থাকুক এর ২টি পিন থাকবে কয়েল ভোল্টেজের জন্যে অন্য পিন গুলি থাকবে NO এবং NC হিসাবে। এখানে NO= Normally Open, NC=Normally Closed বুঝানো হয়েছে।

কাজ করার সময় একটা বিষয় খেয়াল রাখতে হবে তা হচ্ছে কোন টাইমারটি কোন কাজে ব্যবহার করব। কিছু টাইমার এমন থাকে পাওয়ার দেওয়ার সাথে সাথে টাইমারের অর্ধেক অংশ বা কিছু পিন রীলের মত কাজ করে যেমন NO থাকলে তা NC তে আর NC থাকলে তা NO তে পরিবর্তন হয়ে যায় অন্য অংশ টুকু বা অন্য পিন গুলি সেটিং টাইম অনুযায়ী কাজ করে। টাইম ৩ ভাবে সেটিং করা যায় ১) সেকেন্ডে (০-৬০) ২) মিনিটে(০-৬০) ৩) ঘন্টায়(০-২৪)। এবার বহুল ব্যবহার হয় এমন কিছু টাইমারের বর্ণনা দিব বা জানব।

১) On Delay Timer(দেরি বা বিলম্ব করে চালু হওয়া):

এই প্রকার টাইমারে পাওয়ার দেওয়ার সাথে সাথে টাইম গননা শুরু করে দেয় এবং তা শেষ হয় সেটিং টাইমের সমান হলে। তার মানে সেটিং টাইমের সমান হওয়া মাত্র টাইমারটি চালু হয়ে যাবে এবং পাওয়ার অফ করার সাথে সাথে এটি বন্ধ হয়ে যায়। টাইমার চালু হওয়ার আগে NO এবং NC যে অবস্থায় থাকে চালু হলে তা পরিবর্তন হয়ে NO থেকে NC এবং NC থেকে NO তে যায় আবার পাওয়ার বন্ধ করার সাথে সাথে পূর্বের অবস্থায় চলে যায়। এই ধরনের টাইমার বেশির ভাগ সময় স্টার-ডেল্টা ও ATS (Automatic Transfer Switch) অথবা একের অধিক পাওয়ার কন্ট্রোলিং সার্কিটে ব্যবহার করা হয়।

২) Off Delay Timer(দেরি বা বিলম্ব করে বন্ধ হওয়া):

এই টাইমারের আচরন On Delay Timer এর উল্টা যেমন টাইমারে পাওয়ার দেওয়ার সাথে সাথে এটি চালু হয়ে যাবে কিন্তু পাওয়ার বন্ধ করার সাথে সাথে টাইমার বন্ধ হবেনা সেটিং টাইম অনুযায়ী কিছু সময় পর বন্ধ হবে। টাইমারে পাওয়ার দিলে NO হয়ে যাবে NC আর NC হয়ে যাবে NO এবং টাইমার বন্ধ হলে পূর্বের অবস্থায় পিরে যাবে। এই ধরনের টাইমার বেশির ভাগ সময় ATS (Automatic Transfer Switch) অথবা একের অধিক পাওয়ার কন্ট্রোলিং সার্কিটে ব্যবহার করা হয়।

৩) Twin Timer (যমজ বা অন/অফ টাইমার):

এই টাইমারের আচরন প্রায় আগের দুইটির সমন্নয়ে গঠিত। এক সাথে দুইটি কাজ করতে পারে টাইমারটি, যেমন টাইমারে পাওয়ার দেওয়ার সাথে সাথে সেটিং টাইম অনুযায়ী কিছু সময় পর চালু হবে আবার সেটিং টাইম অনুযায়ী কিছু সময় পর বন্ধ হয়ে যাবে। এই অন অফের খেলার সাথে সাথে টাইমারও তার রুপ চেইঞ্জ করে। টাইমারের NO এবং NC চালু হবার পর NC এবং NO হয়ে যাবে এবং বন্ধ হবার সাথে সাথে আগের অবস্থায় পিরে যাবে। এই ধরনের টাইমার বেশির ভাগ সময় ট্রাফিক সিগন্যালে ব্যবহার করা হয়।

ক্রেডিটঃ রফিকুল ইসলাম

আরো পড়ুন