1. [email protected] : jashim sarkar : jashim sarkar
  2. [email protected] : mohammad uddin : mohammad uddin
শনিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৬:১১ অপরাহ্ন

‘বজ্রপাত অনেক হয়, কিন্ত কেন হয়’ ?

তাহলে চলুন জেনে নেই। বায়ূমন্ডলের উপরের অংশে নীচের তুলনায় তাপমাত্রা কম থাকে।এ কারনে অনেক সময় দেখা যায় যে,নীচের দিক থেকে উপরের দিকে মেঘের প্রবাহ হয়।এ ধরনের মেঘকে থান্ডার ক্লাউড বলে।অন্যান্য মেঘের মত এ মেঘে ও ছোট ছোট পানির কনা থাকে।আর উপরে উঠতে উঠতে পানির পরিমান বৃদ্ধি পেতে থাকে।

এ ভাবে বৃদ্ধি পেতে পেতে পানির পরিমান যখন 5 মিঃমিঃ এর বেশী হয়,তখন পানির অনুগুলো আর পারস্পারিক বন্ধন ধরে রাখতে পাড়ে না।তখন এরা আলাদা (Disintegrate) হয়ে যায়, ফলে সেখানে বৈদ্যুতিক আধানের (Electric Charge) এর সৃস্টি হয়। আর এ আধানের মান নিচের অংশের চেয়ে বেশী হয়।এরকম বিভব পার্থক্যের (Potential difference)কারনেই ওপর হতে নিচের দিকে বৈদ্যুতিক আধানের নির্গমন (Transmission) হয়। এ সময় আমরা আলোর ঝলকানি (Lightning) দেখতে পাই।আর ক্রিয়ার সময় উক্ত এলাকার বাতাসের প্রসারন (Expansion) এবং সংকোচনের (Contraction) ফলে আমরা বিকট শব্দ শুনতে পাই।এ ধরনের বৈদ্যুতিক আধানের নির্গমন দুটি মেঘের মধ্যে অথবা একটি মেঘ এবং ভূমির মধ্যে ও হতে পারে।বজ্রপাতের সময় আমরা একটু সচেতন হলে আমরা এর হাত থেকে রক্ষা পেতে পারি।

১. বজ্রপাতের সময় কোন খোলা মাঠে বা খোলা স্থানে দাড়াবেন না,যদি ঐ স্থানে কোন বড় গাছ না থাকে,তবে আপনি সেই স্থানের সব থেকেউচু ব্যাক্তি।সেই সাথে কোন গাছের নীচে আশ্রয় নিবেন না।গাছের উপর বজ্রপাত বেশী হয়।

২. পানির কাছে থাকবেন না,রাস্তায় সাইকেল বা মটরসাইকেলের উপর থাকলে,দ্রুত নিরাপদ স্থানে আশ্রয় গ্রহন করুন।

৩. যদি খোলা মাঠ বা খোলা জমিতে থাকেন,তবে লক্ষ্য করুন তার টানা কোন বৈদুত্যক খুটি আছে কিনা।যদি থাকে তবে দুই খুটির মাঝখানেতারের নিচে পায়ের পাতা উচু করে পাতার উপর মাথা নিচু করে বসে থাকুন।

৪. বজ্রাপাত কোন ব্যাক্তিকে কখনো খালি হাতে স্পর্শ করবেন না,কারন তার শরিরে তখনও বিদুত্য থাকতে পারে।

পৃথিবীতে প্রতি সেকেন্ডে কোথাও না কোথাও 100 বজ্রপাতের ঘটনা ঘটে, অতএব সাবধান।

আরো পড়ুন