1. [email protected] : jashim sarkar : jashim sarkar
  2. [email protected] : mohammad uddin : mohammad uddin
মঙ্গলবার, ১৯ অক্টোবর ২০২১, ০৩:০৪ পূর্বাহ্ন

বাংলাদেশে পি,এইচ,ডি ডিগ্রী অর্জনের কথা ভাবছে? তাহলে জেনে নিন বিস্তারিত !

ইন্সটিটিউট অব বাংলাদেশ স্টাডিজ (আই.বি.এস) রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি গবেষণামূলক প্রতিষ্ঠান। এই ইন্সটিটিউট বাংলাদেশ সম্পর্কীয় উচ্চতর একমাত্র গবেষণা প্রতিষ্ঠান। দেশের ইতিহাস, ভূগোল,অর্থনীতি, রাষ্ট্রনীতি, সমাজনীতি, নৃতত্ত্ব,ভাষা, সংস্কৃতি, দর্শন প্রভৃতি বিষয়ে উচ্চতর

গবেষণার উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়। তাইবাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে গবেষকগণএই প্রতিষ্ঠানে গবেষণা করার জন্য আসেন। গবেষকদেরকে বাংলাদেশের জীবন ও সমাজের সঙ্গে বিশেষভাবে সম্পর্কযুক্ত বিষয়ে এম.ফিল ও পি.এইচ.ডি বিষয়ক ডিগ্রী দেয়া হয়। ইতিহাস ও কর্মকান্ডআইবিএস ১৯৭৪ সালের জানুয়ারী মাসে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি অঙ্গ প্রতিষ্ঠান হিসেবে আত্মপ্রকাশ লাভ করে। আইবিএস ভবনটি বিশ্ববিদ্যালয়ের

বিনোদপুর গেটের পূর্বে পার্শ্বে অবস্থিত। এর কাজ শুরু হয় ১৯৭৪-৭৫ শিক্ষাবর্ষ থেকে। মাত্র তিন দশকের এই গবেষণা প্রতিষ্ঠান থেকে যে পরিমাণ গবেষণা কর্ম সম্পন্ন হয়েছে, তা থেকে বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশে এ ধরনের গবেষণা প্রতিষ্ঠানের উপযোগীতা বিশেষভাবে প্রমাণিত হয়েছে।আইবিএস’র একটি গৌরবজ্জ্বল কর্ম হচ্ছে The journal of the institute of Bangladesh studies নামে একটি উচ্চমান সম্পন্ন প্রকাশনা।

এর মাধ্যমে প্রতিবছরই বের হচ্ছে জার্নাল। সম্প্রতি প্রকাশিত গ্রন্থ হল:-প্রীতি কুমার স্বারক গ্রন্থ, বিশ শতকের বাংলা,ইনডেক্স টু আইবিএস জার্নাল,রাজশাহী মহানগরী: অতীত ও বর্তমান। কাল পরিক্রমায় আইবিএস এ একাধিক আর্ন্তজাতিকমান সম্পন্ন পন্ডিতের আগমন ঘটেছে। মোট কথা আইবিএস এমন একটি গবেষণা প্রতিষ্ঠান যা নিয়ে শুধুমাত্র রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় নয় বাংলাদেশও রীতিমত গৌরব করতে পারে।আইবিএস প্রতিষ্ঠার অন্যতম প্রধানউদ্দেশ্যে ছিল বাংলাদেশের মানুষের জীবন ও সংস্কৃতির সাথে সম্পর্কযুক্ত যে কোন বিষয়ে এমফিল. পিএইচডি পর্যায়ের উচ্চতর শিক্ষা গবেষণা ক্ষেত্রে নেতৃত্ব প্রদান করার উপযোগী দক্ষ ও সৃজনশীল শিক্ষক ও গবেষকদল তৈরী করা। দেশের পরিকপ্লনা প্রণয়ন ও উন্নয়ন কাজে সহায়তা দানের উদ্দেশ্যে গবেষণালব্ধ ফলাফল সমগ্র জাতির সামনে তুলে ধরা। এসব উদ্দেশ্যে অর্জনের জন্য আইবিএস বিগত তিন দশক ধরে কাজ করে আসছে। বিভিন্ন বিষয়ে ২০১০ সাল পর্যন্তআইবিএস থেকে ২২১ জন পিএইচডি ডিগ্রী এবং ৭৯ জন এম.ফিল ডিগ্রী অর্জন করেছেন। বর্তমানে ১৫০ জন গবেষক কর্মরত আছে। প্রতি এমফিল গবেষক মাসে ১৫০০ এবং পিএইচডি গবেষক ২০০০ টাকা করে ফেলোশীপ পান। এখানে ৭ জন নিয়মিত শিক্ষক ১০ জন অতিথি শিক্ষক রয়েছেনযারা আইবিএস এর বিভিন্ন কোর্স ওয়ার্ক পরিচালনা করে থাকেন। এমফিল ও পিএইচডি থিসিস সুপারভাইজ করার ক্ষেত্রেও বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষকগণ দায়িত্ব পালন করে থাকেন। মূলত তাদের সহযোগীতা ছাড়া আইবিএস’র বর্তমান সাফল্য অর্জন সম্ভব হতো না।প্রাসঙ্গিক গবেষণা পরিচালনার পাশাপাশি বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়াবলী নিয়ে জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ের সেমিনার সম্পন্ন করা ও এইপ্রতিষ্ঠানের অন্যতম কাজ। সম্প্রতি বিশ শতকের বাংলা ও রাজশাহী মহানগরীর অতীত ও বর্তমান বিষয়ক দুটি আন্তর্জাতিক মানের সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। দীর্ঘ প্রায় ৩০ বছর যাবৎ আইবিএস গবেষণা কার্যক্রম চালিয়ে আসছে। এজন্য দেশ ও বিদেশে অর্জনকরেছে সুখ্যাতি।

প্রার্থীর এম.ফিল. বিধির ৫ ধারার উপধারা (১) ও (২) এর ভর্তির যোগ্যতাসহ অবশ্যই এম.ফিল/সমমান ডিগ্রি থাকতে হবে। তবে,রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকগণ পিএইচ.ডি.প্রোগ্রামে ভর্তির জন্য সরাসরি প্রাথমিক আবেদনপত্র জমা দিতে পারবেন।অথবা প্রার্থীর যদি এম.ফিল. বিধির ৫ ধারায় বর্ণিত ভর্তির যোগ্যতা থাকে এবং তিনি যদি বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন/সরকারী বৃত্তি অর্জন করেন,তাহলে তাঁরা পিএইচ.ডি. প্রোগ্রামে ভর্তির জন্য আবেদন জমা দিতে পারবেন।অথবা এম.ফিল. বিবিধর ৫ ধারার উপধারা (১) ও (২) এর ভর্তির যোগ্যতাসহ (ক)সরকারী কলেজে ৫ (পাঁচ) বছরের শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা অথবা (খ)অনার্স পর্যায়ের বেসরকারি ডিগ্রি কলেজে অনার্স শ্রেণীতে ৫ (পাঁচ) বছরের শিক্ষকতার অভিজ্ঞতার অথবা (খ) কোন ¯^ীকৃত গবেষণা প্রতিষ্ঠানে ৫(পাঁচ) বছরের গবেষণা কাজের অভিজ্ঞতা এবং সেই সাথে প্রতি ক্ষেত্রে (ক অথবা খ অথবা গ) কোন স্বীকৃত জার্নালে ন্যূনতম ৩টি গবেষণা নিবন্ধ প্রকাশিত/গৃহীত হয়ে থাকলে প্রার্থী পিএইচ.ডি.প্রোগ্রামে ভর্তি হতে পারবেন।তবে,শিক্ষা জীবনের কোন পর্যায়ে ২য় বিভাগ/ শ্রেণী/সিজিপিএ ৩.০০ এর কম থাকলে ভর্তির অযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন।

তথ্য সংগ্রহেঃ

শরীফুল ইসলাম

শিক্ষার্থী, আইন বিভাগ

স্ট্যামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশ

আরো পড়ুন