1. [email protected] : jashim sarkar : jashim sarkar
  2. [email protected] : mohammad uddin : mohammad uddin
বৃহস্পতিবার, ২০ জানুয়ারী ২০২২, ১১:৩১ পূর্বাহ্ন

ভিন্ন কিছু পড়ি বিমান প্রকৌশল !

সারা বিশ্বে বিমান প্রকৌশলের চাহিদা আছে ছোটবেলা থেকে ‘অ্যারোনটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার হব’ এমন চিন্তা কখনো মাথায় আসেনি। গণিত ও পদার্থবিজ্ঞানের প্রতি যথেষ্ট আগ্রহ ছিল। বিজ্ঞান ভালো লাগত। মূলত যখন ক্লাস নাইনে পড়ি, তখন থেকেই ইঞ্জিনিয়ার হওয়ার স্বপ্ন দেখা শুরু করি।

ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজে পড়েছি। সামনে যখন এইচএসসি পরীক্ষা, একদিন দেখি বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর একটি দল আমাদের ক্যাম্পাসে। উদ্দেশ্য, আমাদের মধ্য থেকে ভবিষ্যৎ ফ্লাইং ক্যাডেট বেছে নিতে আমাদের মনে আগ্রহ জাগানো। তাঁদের চমৎকার উপস্থাপনায় অভিভূত হয়ে ভালোবেসে ফেলি বিমানবাহিনীকে। সেই থেকে বিমানের প্রতি অন্য রকম আকর্ষণ কাজ করে।

আমার খুব সৌভাগ্য, বিমানবাহিনীতে যোগ দেওয়ার এবং বিমান নিয়ে পড়ার দুটো সুযোগই আমি পেয়েছিলাম। কোনটা বেছে নেব, সেটা আমার জন্য ছিল একটা মধুর সমস্যা। শেষ পর্যন্ত পারিবারিক সিদ্ধান্তে বিমান প্রকৌশলই বেছে নিই। ভর্তি হই আমার স্বপ্নের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, মিলিটারি ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজিতে।

বিষয়টি অন্যান্য বিষয় থেকে অনেকটাই ভিন্ন। বিমান প্রকৌশল বেছে নেওয়ার পেছনে কয়েকটি বিশেষ কারণ ছিল। আমি যত দূর জানি, সারা বিশ্বে সবচেয়ে খ্যাতিমান প্রকৌশলবিদ্যা হলো বিমান প্রকৌশল। বাংলাদেশ ও অন্যান্য দেশে এর চাহিদা অনেক বেশি।

আকাশপথের যাত্রায় আমরা যদি উন্নতি করতে চাই, তাহলে বিমান প্রকৌশল হতে পারে আমাদের বড় হাতিয়ার। বর্তমান প্রেক্ষাপটে এমন বিষয় বাছাইয়ে ইচ্ছার পাশাপাশি সাহসও প্রয়োজন। চাকরির বাজারে এর নাম তুলনামূলক কম শোনা যায় বলে অনেকে ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও সাহস জোগাতে পারেন না।

বাংলাদেশে বর্তমানে অ্যাভিয়েশন কোম্পানি আছে তিনটি। যেহেতু সম্ভাবনা আছে, তাই অদূর ভবিষ্যতে নিশ্চয়ই সংখ্যাটা আরও বাড়বে। এ ছাড়া বিদেশে কাজ করার সুযোগ তো আছেই। যাঁরা বিমান প্রকৌশলে পড়ার চ্যালেঞ্জ নিতে চান, তাঁদের স্বাগত।

আরো পড়ুন