1. powerofpeopleworld@gmail.com : jashim sarkar : jashim sarkar
  2. jashim_1980@hotmail.com : mohammad uddin : mohammad uddin
সোমবার, ১৫ অগাস্ট ২০২২, ০৮:৫৬ পূর্বাহ্ন

ম্যাগনেটিক কন্টাক্টর নিয়ে সহজ ভাষায় বিস্তারিত আলোচনা!

ম্যাগনেটিক কন্টাক্টরের যেসব ধারনা পাবো আজ সেগুলা হলঃ

১। ম্যাগনেটিক কন্টাক্টর কাকে বলা হয়?

২। ম্যাগনেটিক কন্টাক্টর এর কার্যপ্রণালী ।

৩। ম্যাগনেটিক কন্টাক্টর এর সম্পূর্ণ গঠনপ্রণালী।

৪। নরমালি ওপেন এবং নরমালি ক্লোজ বলতে কি বুঝায়?

৫। কেন ম্যাগনেটিক কন্টাক্টর ব্যবহার করা হয়ে থাকে?

১। ম্যাগনেটিক কন্টাক্টর কাকে বলা হয়?

ম্যাগনেটিক কন্টাক্টর আর রিলের কাজ অনেকটা একই হলেও দুইটা কিন্তু সমান ভোল্টেজে ব্যবহার করা যাবেনা। কারন, ম্যাগনেটিক কন্টাক্টর ব্যবহার করা হয় হাই পাওয়ার ভোল্টেজে আর রিলে ব্যবহার করা হয় লো পাওয়ার ভোল্টেজে । ম্যাগনেটিক কন্টাক্টর সাধারানত বড়বড় ইন্ডাস্ট্রিতে বেশি ব্যবহার করা হয়ে থাকে।

এক কথাই বলা যায় ম্যাগনেটিক কন্টাক্টর হচ্ছে এক ধরনের কন্টাক্টর যেটা যেকোনো ইলেক্ট্রিক লোডকে চালু এবং বন্ধো করার জন্যা ব্যবহার করা হয়ে থাকে।

২। ম্যাগনেটিক কন্টাক্টর এর কার্যপ্রণালী।

সাধারণত যখন ম্যাগনেটিক কন্টাক্টরে কারেন্ট সরবরাহ দেয়া হয় তখন এটার ভেতরে ম্যাগনেটিক ফিল্ড তৈরি হয় এবং এই ম্যাগনেটিক ফিল্ড মুভিং কোর আর ফিক্সড কোরের মাঝে মুভিং কোরকে আকর্ষণ করা সুরু করে দেয়। ম্যাগনেটিক ফিল্ডের এই আকর্ষণ মুভিং কোরকে এনারজাইসড করতে থাকে, একটা সময় মুভিং কোর আর ফিক্সড কোরের মাঝে শর্ট সার্কিট হয়েযায় এবং কারেন্ট তার পরের স্টেপে চলে যায়।

সাপ্লাই এর সুরুতে আরমেচার কয়েলের ভিতরে দেয়ে বেশি কারেন্ট প্রবাহিত হলেও একটু পরেই কারেন্ট প্রবাহের মাত্রা কমে যায়। একটা পর্যায়ে গিয়ে যখন কারেন্ট প্রবাহ বন্ধ হয়ে যায় তখন কয়েল ডি-এনারজাইসড এ পরিনত হয় এবং কন্টাক্ট ওপেন হয়ে যায়। এভাবে সরবরাহের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত যেতে ম্যাগনেটিক কন্টাক্টরের সময় প্রয়োজন হয় মেক্সিমাম দুই থেকে তিন সেকেন্ড ।

৩। ম্যাগনেটিক কন্টাক্টর এর সম্পূর্ণ গঠনপ্রণালী।

ম্যাগনেটিক কন্টাক্টরের গঠনপ্রণালী অন্যান্য ইলেক্ট্রিক্যাল ডিভাইসের তুলনায় বেশ সহজ, এগুলোর বিস্তারিত নিচে দেয়া হোল,

কন্টাক্টর কয়েল: ইনপুটের তিনটা টার্মিনালের মাঝে একটা টার্মিনাল হচ্ছে কন্টাক্টর কয়েল, কন্টাক্টর কয়েলের দুইটা প্রান্ত থাকে যেখানে ইলেক্ট্র-ম্যাগনেটিক ফিল্ড সৃষ্টি হয় পাওয়ার সাপ্লাই দেয়ার পরে। A1 এবং A2 দিয়ে এই দুইটা প্রান্ত বোঝানো হয়।

মেইন টার্মিনাল : সাধারনত ম্যাগনেটিক কন্টাক্টরের দুই পাশে মেইন টার্মিনাল থাকে। একপাশে ইনপুট টার্মিনাল আর আরেক পাশে অউটপুট টার্মিনাল থাকে। এটার তিনটা ইনপুট টার্মিনাল আর তিনটা অউটপুট টার্মিনাল থাকে।ইনপুট টার্মিনাল তিনটাকে L1,L2,L3 দ্বারা বোঝানো হয় আর অউটপুট টার্মিনাল তিনটাকে T1,T2,T3 দ্বারা বোঝানো হয় । ইলেক্ট্রিক্যাল ওয়ারিং এর সময় আমাদের দেশে ইনপুট টার্মিনাল উপড়ের দিকে আর অউটপুট টার্মিনাল নীচের দিকে সংযোগ করা হয়।

অক্সিলারি টার্মিনাল : অক্সিলারি টার্মিনালে দুই ধরনের কন্টাক্ট থাকে, সেগুলা হল নরমালি ওপেন (NO) এবং নরমালি ক্লোজ (NC)। নিচে এই দুই পয়েন্ট এর বিস্তারিত দেয়া হয়েছে।

৪। নরমালি ওপেন এবং নরমালি ক্লোজ বলতে কি বুঝায়?

নরমালি ক্লোজঃ যে অবস্থায় ম্যাগনেটিক কন্টাক্টরের মাঝে পাওয়ার প্রবাহ বন্ধ থাকে, মানে কন সাপ্ল্যি দেয়া থাকেনা তখন ম্যাগনেটিক কন্টাক্টরের অক্সিলেরি কন্টাক্ট বন্ধ থাকে, এই অবস্থাকেই নরমালি ক্লোজ বলা হয়।এটা সাধারণত এন ছি (NC) দ্বারা প্রকাশ করা হয়।

নরমালি ওপেনঃ যে অবস্থায় ম্যাগনেটিক কন্টাক্টরের মাঝে পাওয়ার প্রবাহ দেয়া হয়ে থাকে থাকে তখন ম্যাগনেটিক কন্টাক্টরের এর অক্সিলেরি কন্টাক্ট খলা অবস্থায় থাকে, এই অবস্থাকেই নরমালি ওপেন বলা হয়।

এটা সাধারণত এন ও (NO) দ্বারা প্রকাশ করা হয়।

৫। কেন ম্যাগনেটিক কন্টাক্টর ব্যবহার করা হয়ে থাকে?

ম্যাগনেটিক কন্টাক্টরের ব্যাবহার অনেক, তার মাঝে কিছু গুরুত্বপূর্ণ ব্যাবহার উল্লেখ করা হলঃ

মোটরে সাপ্লাই দেয়ার জন্য তিন ফেজ প্রয়োজন হয়, আর মটরকে কোন দুর্ঘটনার হাত থেকে সুরক্ষা রাখার জন্য ম্যাগনেটিক কন্টাক্টর ব্যবহার করা হয়ে থাকে।ম্যাগনেটিক কন্টাক্টরের মাধ্যমে যেকোনো বড়বড় মোটর অথবা বড় মাপের লড ছোট্ট একটা পুশ সুইচ দিয়ে কন্ট্রোল করা যায়।স্টার ডেল্টা সার্কিট কন্ট্রোল করার জন্য ম্যাগনেটিক কন্টাক্টর ব্যবহার করা হয়, এখানে তিনটা

(৩)ম্যাগনেটিক কন্টাক্টর ব্যবহার করে সহজেই কন্ট্রোল করা যায়।কোন অবস্থায় লোডে কারেন্ট সরবরাহ প্রয়জনের থেকে বেশি প্রবাহিত হলে এটি স্বয়ংক্রিয় ভাবেই লোডে কারেন্ট সরবরাহ বন্ধ করে দেয়।যেসব জায়গায় বেশি লড সরবরাহ করা প্রয়োজন ওইসব জায়গায় দুর্ঘটনা এড়াতে ম্যাগনেটিক কন্টাক্টর ব্যবহার করা হয়ে থাকে।

আরো পড়ুন