1. [email protected] : jashim sarkar : jashim sarkar
  2. [email protected] : mohammad uddin : mohammad uddin
মঙ্গলবার, ১৯ অক্টোবর ২০২১, ০১:৪৫ পূর্বাহ্ন

রেজিস্টরের মান নির্ণয় সহজ পদ্ধতি | Resistor color code

আজ আমরা রেজিস্টরের এমন একটি বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে যাচ্ছি যা ইইই বিষয়ের ভাইদের জেনে রাখা উচিত আর তা হলো Resistor color code।আমরা এই যুগে সবাই ডিজিটাল মাল্টিমিটার ব্যবহার করে থাকি। ডিজিটাল মাল্টিমিটারের সাহায্যে সহজে ভ্যালু পাওয়া যায় এবং এর একুরেসি ও অনেক ভালো।

আমরা অনেকেই কম-বেশি রেজিস্টরের মান বের করতে পারি মিটার ব্যবহার করে এবং কালার কোড ব্যবহার করে। আজ আমরা সহজ পদ্ধতিতে Resistor color code মান বের করবো। আরো কিছু বিষয়ে আলোচনা হবে।

রেজিস্টরের মান নির্ণয়।

ডিজিটাল মাল্টিমিটার ব্যবহার করে রেজিস্টরের মান নির্ণয়

কালার কোড ব্যবহার করে রেজিস্টরের মান নির্ণয়

কালার কোড চার্ট

মান নির্ণয় এর সূত্র

রেজিস্টরের মান যেভাবে লিখতে হয়

রেজিস্টরের মান নির্ণয়

রেজিস্টরের মান দুইভাগে নির্ণয় করা যায়।

ওহম মিটার/এনালগ মাল্টিমিটার/ডিজিটাল মাল্টিমিটার কালার কোড এর সাহায্যে

মিটারের মাধ্যমে

ওহম মিটার এবং এনালগ মাল্টিমিটার:

শুরুতে মিটারকে দেখতে হবে যে মিটারের কাটাটি জিরো এডজাস্টমেন্ট এ আছে কিনা। না থাকলে মিটারের জিরো এডজাস্টমেন্ট স্ক্রু সাহায্যে কাটাকে জিরো পজিশনে আনতে হবে।

এরপরে মিটারের সিলেক্টিং নবকে ওহম পজিশনে নিতে হবে। মিটার দুটি কর্ড(প্রুব)কে রেজিস্টরের দুই প্রান্তে সংযুক্ত করতে হবে। এতেই মিটারটি কাটা একটি পাঠ দিবে যেটিই হবে রেজিস্টরের মান।

Resistor color code

ডিজিটাল মাল্টিমিটারের সাহায্যেঃ

এটি বর্তমান যুগে বহুল ব্যবহিত মিটার। এর সাহায্যে খুব সহজে মান পাওায়া যায়। প্রথমে সিলেক্টিং নবকে ওহমে স্থাপন করে নিতে হবে। এরপরে রেজিস্টরের দুই প্রান্ত মিটারের দুই প্রান্তের সাথে স্থাপন করলে যে পাঠ পাওয়া যাবে তাই হবে রেজিস্টরের মান।

Resistor color code

কালার কোড এর সাহায্যে মান নির্ণয়ঃ

কালার কোড দ্বারা খুব সহজেই আমারা রেজিস্টরের মান নির্ণয় করতে পারি। এখন প্রশ্ন হলো কালার কোড কি? রেজিস্টরের গায়ে বিভিন্ন প্রকার রঙ দ্বারা চিহ্নিত করা থাকে এগুলোকে Resistor color code কোড বলে। কালার কোড এক একটি প্যাচকে ব্যান্ড বলে।

রেজিস্টরে সাধারণত সর্বনিম্ম চার ব্যান্ড থাকে। এছাড়া ৫ ও ৬ ব্যান্ডের কালার কোড রেজিস্টর পাওয়া যায়। এতে সর্বমোট ১২ প্রকার কালার ব্যবহিত হয়ে থাকে। প্রতিটি কালারে মান আছে তা চার্টের মাধ্যমে দেওয়া হলো।

Resistor color code মনে রাখার বিশেষ পদ্ধতি:

মানগুলো ক্রমিক অনুসারে মনে রাখার বিশেষ পদ্ধতি

বাংলাতেঃ কা, বা, লা, ক, হ, স, নী, বে, ধূ, সা।

ইংরেজিতেঃ BB ROY Good Boy Very Good Worker

BB B = Black (কালো) B=Brown()

ROY R=Red, O=Orange, Y=Yellow

Good G=Green

Boy B=Blue

Very V=Violet

Good G=Gray

Worker W=white

এবার অতি সহজে মান নির্ণয় পদ্ধতি দেখবো ১ম কালারের মান লিখব, ২য় কালারের মান লিখব, ৩য় কালারের মান যত হবে ততগুলো শুন্য দিবো, ৪র্থ কালার সাধারণত সোনালী বা রুপালি কালর হয়ে থাকে।

৪র্থ কালার ব্যান্ড কে টলারেন্স হিসেবে ধরা হয়। এখন প্রশ্ন আসতে পারে টলারেন্স কি???

টলারেন্স শুধুমাত্র সোনালী বা রুপালী হয়ে থাকে। কালার কোডের শেষ ব্যান্ড হলো টলারেন্স যা রেজিস্টরের মানের ভারসম্য রক্ষা করে। আমরা অনেকে ইরর সম্বন্ধে পরিচিত। কোন একটি মান যখন আমরা পেয়ে থাকি তখন সেটা যে কোনকারনে হুবহু নাও হতে পারে।

ঠিক তেমনি রেজিস্টরের ক্ষেত্রে মান তাপমাত্রার কারনে কম বেশি হতে পারে। এই টলারেন্সের রেঞ্জ কোন মানের +,- বুঝায়। আশা করি উদাহরন টি দেখলে আমরা পুরোপুরি বুঝতে পারবো।

উদাহরনঃ ধরি একটা রেজিস্টরের গায়ের কালার যথাক্রমে হলুদ, বেগুনী, বাদামী, সোনালী

তাহলে হলুদ এর জন্য লিখবো ৪

বেগুনি জন্য লিখবো ৭

বাদামীর জন্য ১,তাহলে ১*১০=১০

সোনালী টলারেন্স (+-৫%)

রেজিস্টর এর মান আসবে, ৪৭*১০=৪৭০ ওহম বা ৪৭০/১০০০=০.৪৭ কিলোওহম।

উদাহরনঃ ২।সবুজ, নীল, কমলা,সোনালী

সবুজ=৫, নীল=৬, কমলা = ১*১০০০=১০০০, সোনালী= +-৫%

তাহলে মান আসবে=৫৬*১০০০=৫৬০০০ ওহম এবং টলারেন্স বা মান কম বেশি হবে +-৫%

কিলোওহমে নিতে চাইলে,৫৬০০০/১০০০=৫৬ কিলোওহম।

মান লেখা হয় যেভাবেঃ আগে মান লেখা হত ৫০Ω, ৬০KΩ, ১MΩ । কিন্তু এখন লেখা হয় ৫০R, ৬০K, ১ M। এই ক্ষেত্রে R থাকলে ওহম,K থাকলে কিলোওহম,M দ্বারা মেগাওহম বুঝায়।

আরো পড়ুন