1. [email protected] : jashim sarkar : jashim sarkar
  2. [email protected] : mohammad uddin : mohammad uddin
বুধবার, ২০ অক্টোবর ২০২১, ০৩:৩৫ পূর্বাহ্ন

হিজড়াদের চাঁদাবাজি থেকে আমরা কবে মুক্তি পাবো?

হিজড়াদের চাঁদাবাজি থেকে আমরা কবে মুক্তি পাবো???

জানালায় বাচ্চার কাঁথা শুকাতে দেখে ৯ জন হিজড়া বাসায় এসে সেই উশৃঙ্খল আচরণ শুরু করে। আমি আর আমার বড় ভাই ছিলাম বাজারে। বাসায় আম্মা, ভাবী আর আমার ওয়াইফ। দরজা খোলার আগে কে জানতে চাইলে হিজড়ারা বলে ডিশের বিল নিতে এসেছে। দরজা খুলতেই ধাক্কা দিয়ে সবাই বাসায় ঢুকে পড়ে। আমার ওয়াইফ ভাইয়ার ছেলে 2.5 বছর, আর আমার সদ্যজাত ছেলেকে নিয়ে বাসার এক রুমে দরজা দিয়ে আতংকে লুকিয়ে থেকে আমাকে ফোন দিয়ে বলে দ্রুত বাসায় আসার জন্য। দুই ভাই দ্রুত বাসায় আসার জন্য সিএনজি নিলাম। যাত্রা পথে জানতে পারলাম ভাবী ভয় পেয়ে ইতোমধ্যে ১২০০ টাকা দিয়ে দিসে, কিন্তু হিজড়াদের তো ডিমান্ড বেশি ১১ হাজার টাকা ছাড়া তারা এক পাও লড়বেনা।

আমরা দুই ভাই বাসার সামনে এসে দেখলাম দরজার চৌকাঠ ঘিরে কেউ কেউ দাঁড়িয়ে কেউ বসে। দরজা ছেড়ে সরতে বললাম তাদের, তাদের যা তা অশ্লীল ব্যবহার, বললাম টাকাও দিলো যাওনা কেন? এভাবে ভয় ভীতি দেখিয়ে বাসার বাচ্চা মহিলাদের ভয় দেখাও কেন? কে শুনে কার কথা, ব্যবহার শুনে মেজাজ স্থীর রাখতে না পেরে ঝটকি দিলাম আমি, উল্টা খাঁমচে ধাক্কা দিয়ে আমার হাত গলা ছিঁড়ে দিলো।

এর মাঝে আমার ওয়াইফ 999 এ কল দিলো, ঢাকা থেকে স্থানীয় থানায় কানেকশন দিয়ে ঠিকানা নিয়ে 10 মিনিটের মাঝে পুলিশ পাঠালো। কিন্তু লাভ কি? হিজড়ারা পুলিশকেও ভয় পায়না। তবে কিছুটা নমনীয়, পরে আমার বড় ভাই কোনো মতে ম্যানেজ করে 2500 টাকা দিয়ে বিদায় করলো।

আজ আমার ওয়াইফ ছোটো দুই বাচ্চা নিয়ে আলাদা রুমে লুকিয়ে থাকায় বাচ্চা দুটোর তেমন কোনো ক্ষতি হয়নি (শারীরিক, মানসিক) সমাজের অবস্থা যেখানে যাচ্ছে, সদ্যজাত বাচ্চা যাদের আছে প্লিজ সবাই জানালায় বাচ্চার কাঁথা বা ছোট জামা শুকাতে দিবেন না। আমার আজকের এক্সপেরিয়েন্স এখানে লেখার এক মাত্র কারণ সবাই যেন সচেতন হোন। বিশ্বাস করবেন না একজন পিতা হিসেবে যখন ফোনে জানতে পারলাম হিজড়ারা বাসায় ঢুকে এভাবে চাঁদা দাবী করছে তখন কেবল ঢাকার সেই ঘটনা মনে হচ্চিলো, আর বিচলিত হচ্ছিলাম, যেখানে হিজড়ারা টাকা দাবী করে এবং তাঁদের ডিমান্ড করা টাকা না পেয়ে বাচ্চাটাকে বালতিতে চুবিয়ে টর্চার করে। সবাই সাবধান হবেন।

এবং আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি সরকার হিজড়াদের মানসিক কাউন্সিলিং করে সমাজের নানান কাজে সম্পৃক্ত করুক, তাহলে এরা এসব চাঁদাবাজি/অবৈধ কাজ থেকে বিরত থাকবে। স্বাস্থ্য গত ভাবে সাধারণ একজন পুরুষ থেকেও এরা অনেক শক্তিশালী এবং বড়সড়!

মূল পোষ্ট – Zia Uddin Evan

২৩/১১/২০১৮

আরো পড়ুন