1. [email protected] : jashim sarkar : jashim sarkar
  2. [email protected] : mohammad uddin : mohammad uddin
বুধবার, ২০ অক্টোবর ২০২১, ০৩:১৭ পূর্বাহ্ন

EEE স্টুডেন্টদের জন্য কিছু সাধারণ প্রশ্ন ও উত্তর!

***সাইকেল কি?

অলটারনেটিং কারেন্ট কোন একদিকে প্রবাহিত হয়ে শূন্য হতে সর্বোচ্চ অবস্থানে, সর্বোচ্চ অবস্থান হতে আবার শূন্য অবস্থানে এবং বিপরীতক্রমে শূন্য হতে সর্বোচ্চ অবস্থানে, সর্বোচ্চ অবস্থান হতে আবার শূন্য অবস্থানে ফিরে আসে তাকে সাইকেল বলে।

***ফ্রিকোয়েন্সী কি?

কোন পরিবর্তনশীল রাশির প্রতি সেকেন্ডে যতগুলি সাইকেল সস্পন্ন হয় তাকে ফ্রিকোয়েন্সী বলে।একে f দ্বারা প্রকাশ করা হয়। টাইম পিরিয়ড T হলে,F = 1/T

***পিরিয়ড কি?

কোন পরিবর্তনশীল রাশির এক সাইকেল সম্পন্ন হতে যে সময়ের প্রয়োজন তাকে পিরিয়ড বলে।একে T দ্বারা প্রকাশ করা হয়। ফ্রিকোয়েন্সী f হলে, T = 1/f

***ফেজ কি?

পরিবর্তনশীল রাশির কোন নির্দিষ্ট সময়ে এর কৌণিক অবস্থানকে ফেজ বলে।ফেজ অ্যাঙ্গেল কি?এ.সি. সার্কিটে ভোল্টেজ এবং কারেন্টের মধ্যবর্তী কোণকে ফেজ অ্যাঙ্গেল বলে।

***অলটারনেশন কি?

পরিবর্তনশীল রাশির অর্ধ সাইকেলকে অলটারনেশন বলে।

***ফর্ম ফ্যাক্টর কি?

কোন সাইন ওয়েভের আর.এম.এস. এবং গড় মানের অনুপাতকে ফর্ম ফ্যাক্টর বলে।একে Kf দ্বারা প্রকাশ করা হয়।Kf = আর.এম.এস./ গড় মান

***পিক ফ্যাক্টর কি?

কোন ওয়েভের সর্বোচ্চ মান ও আর.এম.এস. মানের অনুপাতকে ক্রেস্ট ফ্যাক্টর বা পিক ফ্যাক্টর বা এ্যামপ্লিচুড ফ্যাক্টর বলে।একে Ka দ্বারা প্রকাশ করা হয়।Ka = সর্বোচ্চ মান / আর.এম.এস. মান

***পাওয়ার ফ্যাক্টর কয় প্রকার?

পাওয়ার ফ্যাক্টর তিন প্রকারঃ

১. ল্যাগিং পাওয়ার ফ্যাক্টর (Lagging Power Factor)

২. লিডিং পাওয়ার ফ্যাক্টর (Leading Power Factor)

৩. ইউনিটি পাওয়ার ফ্যাক্টর (Unity Power Factor)

***পাওয়ার ফ্যাক্টর কি?

এ.সি. সার্কিটে কারেন্ট ও ভোল্টেজের মধ্যবর্তী কোণের কোসাইন মানকে পাওয়ার ফ্যাক্টর বলে।

অথবা

অ্যাকটিভ পাওয়ার ও আপাত পাওয়ারের অনুপাতকে পাওয়ার ফ্যাক্টর বলে।কারেন্ট ও ভোল্টেজের মধ্যবর্তী কোণ ϴ হলে,পাওয়ার ফ্যাক্টর (pf) = Cosϴ

***ল্যাগিং পাওয়ার ফ্যাক্টর কি?

এ.সি. সার্কিটে ক্যাপাসিটিভ লোডের চেয়ে ইন্ডাকটিভ লোড বেশী হলে, কারেন্ট ভোল্টেজের পরে অবস্থান করে, সার্কিটের এই অবস্থায় পাওয়ার ফ্যাক্টরকে ল্যাগিং পাওয়ার ফ্যাক্টর বলে।

এই সার্কিটকে ইন্ডাকটিভ সার্কিট বলে।

মনে রাখার সহজ উপায়:

E L I

ই.এম.এফ.(E) ইন্ডাক্টর(L) কারেন্ট(I)L তে ইন্ডাকটিভ সার্কিট, E তে ই.এম.এফ., I তে কারেন্ট।ইন্ডাকটিভ সার্কিটে ভোল্টেজ আগে, কারেন্ট পরে।

***লিডিং পাওয়ার ফ্যাক্টর কি?

এ.সি. সার্কিটে ইন্ডাকটিভ লোডের চেয়ে ক্যাপাসিটিভ লোড বেশী হলে, ভোল্টেজ কারেন্টের পরে অবস্থান করে, সার্কিটের এই অবস্থায় পাওয়ার ফ্যাক্টরকে লিডিং পাওয়ার ফ্যাক্টর বলে।

এই সার্কিটকে ক্যাপাসিটিভ সার্কিট বলে।

মনে রাখার সহজ উপায়:I C Eকারেন্ট(I) ক্যাপাসিটর(C) ই.এম.এফ.(E)C তে ক্যাপাসিটিভ সার্কিট, E তে ই.এম.এফ., I তে কারেন্ট।ক্যাপাসিটিভ সার্কিটে কারেন্ট আগে, ভোল্টেজ পরে।

***ইউনিটি পাওয়ার ফ্যাক্টর কি?

এ.সি. সার্কিটে ইন্ডাকটিভ লোড ও ক্যাপাসিটিভ লোড সমান হলে, ভোল্টেজ ও কারেন্ট একসাথে অবস্থান করে, সার্কিটের এই অবস্থায় পাওয়ার ফ্যাক্টরকে ইউনিটি পাওয়ার ফ্যাক্টর বলে।এই সার্কিটকে রেজিস্টিভ সার্কিট বলে। ইউনিটি পাওয়ার ফ্যাক্টর সার্কিটের পাওয়ার ফ্যাক্টর 1 হয়।

***ইলেকট্রিক ফ্লাক্স ডেনসিটি কি?

প্রতি একক ক্ষেত্রফলে যে পরিমাণ ইলেকট্রিক ফ্লাক্স অতিক্রম করে তাকে ইলেকট্রিক ডেনসিটি বলে।এর প্রতিক D এবং একক কুলম্ব/বর্গ মিটার।

***ডাই ইলেকট্রিক পদার্থ কি?

ডাই ইলেকট্রিক শব্দের অর্থ অপরিবাহী।যে সকল পদার্থ বিদ্যুৎ পরিবাহী নয়, মুক্ত ইলেকট্রন নেই এবং বৈদ্যুতিক শক্তিকে সঞ্চয় করে রাখতে পারে তাকে ডাই ইলেকট্রিক পদার্থ বলে।

***ডাই ইলেকট্রিক কনস্ট্যান্ট কি?

একটি ক্যাপাসটরের প্লেট সমূহের মধ্যবর্তী বৈদ্যুতিক বলরেখা গুলোকে কেন্দ্রীভূত করার ডাই ইলেকট্রিক পদার্থের সামর্থকে ডাই ইলেকট্রিক কনস্ট্যান্ট বলে।

***এক ফ্যারাড কাকে বলে?

এক ভোল্ট বিভব পার্থক্যর কারণে যদি ডাই ইলেকট্রিকে এক কুলম্ব ইলেকট্রিক চার্জ সঞ্চিত হয়, তবে ঐ পরিমাণ ক্যাপাসিট্যান্সকে এক ফ্যারাড বলে।

***ইলেকট্রলাইট কি?

সেলে রাসায়নিক বিক্রিয়ার জন্য যে তরল বা পেস্ট ব্যাবহার করা হয় তাকে ইলেকট্রলাইট বলে।ইলেকট্রলাইট হিসেবে সালফিউরিক এসিড, নাইট্রিক এসিড, এ্যামোনিয়াম ক্লোরাইড, এ্যালুমিনিয়াম ক্লোরাইড ইত্যাদি ব্যাবহার করা হয়।ড্রাই সেলে পেস্ট ইলেকট্রলাইট এবং লিকুইড সেলে তরল ইলেকট্রলাইট ব্যাবহার করা হয়।

***প্রাইমারী সেল কি?

যে সেলের শক্তি শেষ হয়ে গেলে পুনরায় একে কর্মক্ষম করা যায় না তাকে প্রাইমারী সেল বলে।অল্প পাওয়ারের প্রয়োজন এমন যায়গায় সাধারণত প্রাইমারী সেল ব্যাবহার করা হয়। যেমনঃ ঘড়ি, রিমোট কন্ট্রোল, খেলনা ইত্যাদি।

***সেকেন্ডারী সেল কি?

যে সেলের শক্তি শেষ হয়ে গেলে পুনরায় একে কর্মক্ষম করা যায় তাকে সেকেন্ডারী সেল বলে।বেশি পাওয়ারের প্রয়োজন এমন যায়গায় সাধারণত সেকেন্ডারী সেল ব্যাবহার করা হয়। যেমনঃ ইমার্জেন্সি লাইট, আই.পি.এস. ইউ.পি.এস. ইত্যাদি।

আরো পড়ুন